মোবাইল দিয়ে ব্লগিং এবং ব্লগিং থেকে কত আয় করা যাবে? অনলাইন আয়

What is blogging?

ব্লগ সমন্ধে কিছু কথাঃ হেই! আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছো সবাই? আজকে আমি তোমাদের সাথে ব্লগিং নিয়ে আলোচনা করব। তার জন্য প্রথমেই জানে নেওয়া যাক- ব্লগিং করে কি টাকা আয় করা সম্ভব?  এর উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ সম্ভব। তার জন্য আমাদের অবশ্যই ব্লগিং সমন্ধে ভালো ধারণা থাকতে হবে। আমরা অনেকেই সম্পূর্ণ বিষয় না বুঝেই কাজে লেগে পড়ি আর যখন দেখি ইমপ্রুভমেন্ট হচ্ছে না তো আমরা হাল ছেড়ে দেই। আজকে যেই এই আর্টিকেল এ প্রবেশ করছেন তাদের কাছে আমার একটাই আবেদন- ভাই ধৈয্য না ধরে কিছুই সাফল্য লাভ করার চিন্তা বাদ দেন? কথায় আছে না যে, ছোট ছোট বালিকণা,বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল। ভাই যারা এর সারমর্ম জানো তারা বুঝতে পারছ কি বুঝতে চাইছি। তাই ভাই এ কাজে তোমার ধৈর্য এর পরিক্ষায় পাশ করতে পারতে অবশ্যই এই আর্টিকেল টি প্রয়োজন হয় ৩/৪ দিন এ পড়েন কিন্তু টেনে টেনে পড়বেন না। কোথাও মিস করলে আপনার সম্পূর্ণ পরিশ্রম মাঠি হইয়া যাবে। তো চলুন শুরু করা যাক। 

ব্লগিংয়ের ইতিহাসঃ প্রথমেই ব্লগিং এর উৎপত্তি কোথায় তা জেনে নেওয়া যাক? ব্লগ শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে। এই weblog শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় প্রায় ২৬ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালের ১৭ ই ডিসেম্বর মাসে। শব্দটির আবিষ্কারক ছিলেন মার্কিন নাগরিক জন বার্জার। এর ঠিক ২ বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহলজ নামে এক ব্যাক্তি Weblog শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন - Web এবং Blog. তার পরবর্তীতে সারা বিশ্বব্যাপী ব্লগ নামে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। 


ব্লগ কি?

ব্লগ বলতে অনেকটা এ রকম যে, ব্লগিং অনলাইন ভিত্তিক এমন একটা প্লাটফর্ম যেখানে সকল তথ্যর আদান-প্রদান ঘটে এবং ব্লগিং করে আয় করা। যারা ব্লগিং পোস্ট লিখে তাদের ব্লগার বলা হয়ে থাকে। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের সাইটে কনটেন্ট পোস্ট করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখান থেকে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য পান এবং সেখানে তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেও তাদের তথ্যগুলো পেতে পারে। বর্তমানে ব্লগ ফ্রিল্যান্স, সাংবাদিকতা ও অনলাইন আয়ের একটা মাধ্যম হয়ে উঠেছে। 

অনেকে ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য বুঝে না। ওয়েবসাইট ও ব্লগ এর মূল পার্থক্য হচ্ছে- ওয়েবসাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিতভাবে আর অন্যদিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিতভাবে। এমনকি কিছু কিছু ব্লগ প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়।

কোনো একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে কোনো বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলা হয়। ব্লগিং বিষয়টাকে যদি সংক্ষিপ্ত আকারে বলি তাহলে বলা যায় যে,বিভিন্ন ব্লগে বা ওয়েবসাইটে যা লেখালেখি করা হয়ে থাকে তাই হল ব্লগিং। ব্লগিং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হতে পারে, যেমন রাজনৈতিক, সাহিত্য, টেকনোলজি, ভ্রমণ কাহিনি, আপনার জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা জীবনবৃত্তান্ত এবং তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান সমন্ধে লিখা ইত্যাদি। 


ব্লগিং কেন করবেন?

ব্লগ বা ব্লগিং শব্দটি শুনে নাই এমলোকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কমে বলে আমি বিশ্বাস করে থাকি। উন্নত দেশ গুলোর মানুষেরা অনেকেই ব্লগিং টাকে পেশা হিসেবে নিয়ে থাকেন। তার সাথে তারা ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করে থাকে। আমি এই ব্লগ সাইটে আপনাদের জন্য প্রতিনিয়ত অনলাইন ইনকাম সোর্স সমন্ধে আর এই সমন্ধে জানার জন্য অবশ্যই আমাদের পাশে থাকবেন এবং ধৈর্য ধরে ইনকাম করবেন। ইনশআল্লাহ একদিন আপনি সফল হবেন।

ব্লগার কে বা কারা? 

ব্লগার তাদের কে বলা হয় যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেখালিখি কিরে এবং এই ব্লগগুলো যারা বানাই অর্থাৎ সহজ ভাষায় বলতে গেলে, যিনি ব্লগ তৈরি করে ব্লগে পোস্ট করেন বা বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করে অনলাইন প্লাটফর্ম এ পোস্ট করে থাকেন তাদেরকেই ব্লগার বলা হয়ে থাকে।

★স্যামসাং কোম্পানির এক দুর্দান্ত গেমিং স্মার্টফোন ২০২৩। স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৩৪ ৫জি — বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন 

ব্লগিং এর প্রকারভেদঃ

ব্লগিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তো আপনাদের বুঝানোর সুবিধাতে কয়েকটি ব্লগিং এর প্রকারভেদ তুলে ধরলাম-

ব্যাক্তিগত ব্লগঃ নিজের ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে লেখালেখি অথবা নিজের জ্ঞানকে অন্যের কাছে তুলে ধরার জন্য যে ব্লগ তোইরী করা হয় তাই ব্যাক্তিগত ব্লগ।

নিদিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগঃ এই ধরনের ব্লগগুলো সাধারণত বেশি দেখা যায়। কেননা সকলেই এই মাধ্যমে উপার্জন করে থাকে। এই ক্যাটাগরিতে অনেক ধরনের ব্লগ থাকে যেমন- টেকব্লগ, ফটো ব্লগ, আর্ট ব্লগ, ভিডিও ও অডিও গানের ব্লগ, বিনোদনমূলক ব্লগ ইত্যাদি। 

কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগঃ বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা স্কুল, কলেজ, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বিষয় তাদের নিজস্ব সাইটে ব্লগ আকারে পোস্ট করে থাকে আর এইসব ব্লগ গুলো হল- কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ।

সামাজিক ব্লগঃ সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, আআচার-আচরণ, চলাফেরা, এমনকি সমাজের বিভিন্ন বিষয়বস্তুর উপর লেখা ব্লগগুলোই হচ্ছেগ সামাজিক ব্লগ।


ব্লগিং করার কারণঃ 

আপনি যদি গুগল এর সার্চ বক্সে কোন কিছু লিখেন বা খুঁজে থাকেন তবে দেখেছেন যে আপনাকে গুগল অনেকগুলো সাজেশন দিচ্ছে এবং উক্ত বিষয়টা আপনি সেখান থেকে জানতে পারছেন। তো আপনি আপনার তথ্যটা খুজে পাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে গুগল এ আপনাকে সাজেশন দিয়েছে কিন্তু আপনি যে লেখা পেয়েছেন তা কেবল অন্য ব্যাক্তি লিখেছেন আর যদি লেখা না থাকত তাহলে আপনি সেই সমন্ধে কিছুই জানতে পারতেন না। সুতরাং বলা যায়, সমস্ত তথ্যগুলো মানুষের সংগ্রহকৃত একটা মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। ব্লগিং এর মাধ্যমে আপনি অনেক তথ্য,উপাত্ত,জ্ঞান গুগল সাইটে সংগ্রহ করে রাখছেন এবং সেই সংগ্রহকৃত তথ্য থেকে আপনি উপার্জন ও করতে পারতেছেন।

যদি সহজ ভাষায় বলতে চাই যে, কেন আমরা ব্লগিং করব তার কারণ প্রধানত দুইটি। প্রথমত এই যে, আপনি ব্লগিং এর মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন আর দ্বিতীয়ত এই যে, আপনি উক্ত ব্লগ দ্বারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন। 

এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক যে, ব্লগিং করে কি টাকা আয় করা যাই কি না? এবং ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা সম্ভব? 


নিশ কি? 

যে টপিকে কিংবা ক্যাটাগরিতে ব্লগ লেখালেখি করছেন সেই টপিকই হলোগ নিশ।

তাছাড়া আপনি কি রকম কোয়ালিটি কনটেন্ট পাবলিশ করেন এবং আপনার কনটেন্টে কত বেশি অর্গানিক ট্রাফিক আসে তার উপরও আপনার আর্নিং টা নির্ভর করে থাকে।

আমি নিচে আরো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করছি। সেখানে জানতে পারবেন ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা সম্ভব? 

★কি কি কারণে কোরবানি নষ্ট হতে পারে এবং গোশত বন্টন? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়?

ব্লগিং করে আপনি আনলিমিট টাকা আয় করতে পারেন। তবে আপনার ব্লগ পোস্টটি কোথা থেকে দেখা হচ্ছে, কোন দেশ হতে দেখছে কিংবা আপনার সাইটে কতজন মানুষ কোথা থেকে এড এ ক্লিক করছে তার উপর নির্ভর করে থাকে। তবে আজকে আমরা জানব  আনুমানিক কত টাকা আয় করা যায় ব্লগিং করে। যদি আপনি ইংরেজিতে ব্লগিং করে থাকেন তো প্রতি হাজার পেজভিউতে নিশ অনুযায়ী গড়ে ৫ থেকে ৩০ ডলার অবধি আয় হয় আর যদি বাংলায় পোস্ট করে থাকে তো প্রতি হাজার পেজভিউতে নিশ অনুযায়ী গড়ে ২ থেকে ১০ ডলার অবধি আয় হয়। তবে আরো কিছু মাধ্যমে আছে যেগুলোর মাধ্যমে আর্নিং টা হয়ে থাকে। তা নিচে দেওয়া হয়েছে -


ব্লগিং আয় কিসের উপর নির্ভরশীল? 

১। ভিজিটর 

বর্তমানে ওয়েবসাইটে ভিজিটরের সংখ্যা ও পরিমাণের উপর আর্নিং টা নির্ভর করে থাকে। যদি আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ১০০০ হাজার ভিজিটর আসে তবে আপনার আর্নিং টা একটু বেশি হবে। এককথায় আপনার সাইটে যদি প্রতিদিন বেশি পরিমাণে ভিজিটর আসে তবে আপনার আর্নিং টাও অনেক হয়ে থাকবে।


২। এড ক্লিক

গুগল এডসেন্সসহ আরো অনেকগুলো ওয়েব মনিটাইজেশন প্লাটফর্ম আছে। সেখানের এড এ ক্লিক পরার মাধ্যমে আর্নিং হয়ে থাকে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সিপিসি থাকে। সিপিসি এর মানে হল- cost per click (কস্ট পার ক্লিক)। প্রতিটি এড এ আপনার সিপিসি কত পড়েছে তার উপর নির্ভর করে আপনি নিদিষ্ট পরিমাণে অর্থ পেয়ে থাকবেন। কোনো একজন ভিজিটর যদি আপনার সাইটের এডে ক্লিক করে তবে সেই ক্লিক করার কারণে আপনাকে গুগল এডসেন্স ডলার দিয়ে থাকবে।

সিপিসি টা নির্ভর করে মূলত অডিয়েন্সের ধরনের উপর। তাছাড়া আপনার ওয়েবসাইটের নিশের উপরও নির্ভর করে থাকে। নিশ কি এবং কিভাবে নিশের উপর আর্নিং টা নির্ভর করে তা আমি পূর্বের আর্টিকেল এ বলে দিয়েছি।

সেখানে আমি বলেছিলাম যে, আপনার ওয়েবসাইট এর ব্লগধরন অনুযায়ী এড প্রদর্শন করা হয়ে থাকে এবং   কোম্পানিটি যদি আপনার ওয়েবসাইটে ঠিকঠাক টার্গেটেড অডিয়েন্স পায় তবে তারা আপনার ওয়েবসাইটে বেশি বেশি এড সো করাবে এবং আপনাকে বেশি ডলার পে করে থাকবে।যদি আপনার সাইট একটি নির্ধারিত ক্যাটাগরির হয়ে থাকে এংব ভিজিটর এডে বেশি ক্লিক করে থাকে তবে প্রচুর পরিমানে উপার্জন করা যায়।

৩। ভিজিটরের ধরন

ভিজিটরের উপর নির্ভর করে সাইটের আর্নিং টা। আপনার সাইটে কোন ধরনের ভিজিটর আসছে এবং ভিজিটরগুলো কি অর্গানিক ট্রাফিক এর মাধ্যমে এসেছে কি না এবং ভিজিটরগুলো কোন দেশ থেকে এসেছে, তার উপর নির্ভর করেও আপনার আর্নিং টা হয়ে থাকে। 

কিন্তু আপনি যদি বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর আনেন তবে আপনার আর্নিং টা ড্রপ হবে এবং অনেক কম আয় করতে পারবেন। তাই চেষ্টা করবেন অর্গানিক ভিজিট্র আনার, যদি আপনি গুগল এডসেন্স থেকে বেশি টাকা আয় করতে চান তো। 

★ডিএসএলআর ক্যামেরাকে টক্কর দিতে বাজারে আসতে যাচ্ছে ভিভোর নতুন ফোন-ভিভো ফোন প্রাইস ইন বাংলাদেশ — বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন 

অর্গানিক ভিজিটর কি? 

যে সমস্ত ভিজিটর গুগল থেকে অর্থাৎ গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ওয়েবসাইটে আসবে তাদেরকে অর্গানিক ভিজিটর বলে। তাছাড়াও bing, yahoo, baidu বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসা ভিজিটরাই হচ্ছে অর্গানিক ভিজিটর।


ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা সম্ভব? 

প্রথমত ব্লগিং এর আয় বিষয়টা অনেকগুলো মাধ্যমে হয়ে থাকে তা উপরে আলোচনা করা হয়েছে। তবে প্রথম প্রথম আয় কিছু তুলনামূলকভাবে কম হবে। ব্লগিং এর আয় টা নির্ভর করে সিপিসি এর উপর তারপর আবার অর্গানিক ভিজিটর এর উপর নির্ভর করে। এককথায় বলতে গেলে আমি বাংলাতে ব্লগিং করে থাকি। নিচে আমার একদিনের ইনকাম এবং তার আগের দিনের ইনকাম তুলে ধরেছি। আশা করি ছবিটি দেখে বুঝতে পারবেন যে, ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা সম্ভব। 


শেষ কথাঃ ব্লগিং সমন্ধে যদি কোন প্রশ্ন বা এর পরবর্তী বিষয় এ জানতে চান তবে কমেন্ট করে জানাবে। ইনশাআল্লাহ আমি পরবর্তী আর্টিকেল টি দ্রুততার সাথে পাবলিশ করব। অনলাইন ইনকাম ও প্রযুক্তির সকল আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট এর সাথেই থাকুন। 


FAQ: 


১। ব্লগিং কি? 

ব্লগিং হচ্ছে ওয়েবসাইটে লেখালিখি করা। 

২।ব্লগিং কারা করে বা ব্লগার কারা?

যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেখালিখি করে থাকে তাদেরকে ব্লগার বলা হয়। 

৩।ব্লগিং এর কাজ কি?

ব্লগিং এর কাজ হচ্ছে বিভিন্ন বিষয় এর উপর আর্টিকেল বা ব্লগ লিখা।

৪। ব্লগিং কিভাবে শিখব?

ব্লগিং শিখার জন্য আপনি আমার এই ওয়েবসাইটিকে ফলো করতে পারেন কিং বা নিচে দেওয়া ইউটিউব চ্যানেল টিকে অনুসরণ করতে পারেন। আশা করি আপনি ব্লগিং সম্পূর্ণভাবে জেনে যাবেন। 

৫। মোবাইল দিয়ে কি ব্লগিং করা যাবে?

হ্যাঁ করা যাবে কিন্তু একটু কষ্ট হবে টাইপিং করাতে। তবে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করা সম্ভব। আমিও মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে থাকি।

৬। ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

ব্লগিং করে মাসে আপনি অনেক টাকা আয় করা সম্ভব। তবে প্রথম অবস্থায় আয় একটু কম হবে তবে ধীরে ধীরে আয় বৃদ্ধি পাবে এবং মাসে ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকা আয় যাবে। 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন