জলবসন্ত রোগ কি
জলবসন্ত রোগ বিশেষ করে শীতের পরে বসন্ত কালের সময় হয়ে থাকে। এই রোগটি একটি নিরীহ রোগ বলা চলে কিন্তু নবজাতক ও বৃদ্ধ লোকের ক্ষেত্রে এটি খুবই মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে কেউ যদি একবার এই রোগে আক্রান্ত হয় তাহলে প্রায় সারা জীবনের জন্য প্রাকৃতিক ভাবে রূপ প্রতিরোধ শক্তি লাভ করে এটি সাধারণত ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ হাঁচি কাশি জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে গিয়ে ব্যবহৃত জিনিসপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে শরীরে বাসা বাঁধে। সাধারণভাবে চিকেন পক্স দুই থেকে আট বছর বয়সের শিশুর বেশি হয়ে থাকে।
জলবসন্ত কেন হয়
জলবসন্ত হলো এক ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ, যা ভ্যারিসেলা জুস্টার ভাইরাস (varicella zoster) নামক একপ্রকার ভাইরাসের কারণে হয়। এই ভাইরাস বায়ুবাহিত হয়ে অন্যের শরীরে প্রবেশ করে। এটি মূলত বায়ুবাহিত রোগ।
জলবসন্ত রোগের লক্ষণ
জলবসন্তের প্রধান লক্ষণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো–
১) শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গোল-গোল জলীয়
২) চুলকানি-সহ ফোড়া-রূপের র্যাশ
৩) এর আগে ১-২ দিনের মধ্যে– মাথা-ব্যাথা, জ্বর, ক্ষুধা-নাশ, ক্লান্তি, পায়-খানা, ইত্যাদি হয়ে থাকে
৪) এছাড়াও শরীরে ঘামাচির মত গুটি উঠা
৫) ধীরে ধীরে ফুশকুড়ির মত টলটলে হয়ে যায়
৬) শরীরে ব্যথা অনুভূত হয়
৭) শরীরের জ্বর দেখা দেয়
৮) মাঝে মাঝে পেটে ব্যথা ও হয়ে থাকে,
৯) লালচে ফুসকুড়িতে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়
১০) ফুসকুড়িতে পানি জমে যা পরবর্তীতে শুকিয়ে কালো বর্ণের খোসায় পরিণত হয়
১১) কাশি ও পাতলা পায়খানা হতে পারে, এবং দুই থেকে এক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
জলবসন্ত সংক্রমিত হওয়ার কারণ
জলবসন্ত বা চিকেন পক্স একটি অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে রোগ। জলবসন্ত রোগের সংক্রমনের বেশ কিছু কারণ রয়েছে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো–
১) আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র (যেমন: গামছা,টোয়াল,রুমাল,পোশাক ইত্যাদি) অন্য কেউ ব্যবহার করলে।
২) জলবসন্ত রোগীর শরীরের সংস্পর্শে থাকলে এই রোগটি ছঁড়িয়ে থাকে।
৩) আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি কাশির মাধ্যমে আরেকজনের শরীরে জল বসন্ত হতে পারে।
৪) এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার দুই দিন আগে থেকে শুকিয়ে যাওয়া ফুসকুড়ির খোসা থেকে অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে।
৫) এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির সঙ্গে একসাথে ঘুমালে।
৬) আক্রন্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সকল জিনিসপত্রের মাধ্যমেও ছড়িয়ে থাকে।
জলবসন্ত রোগ থেকে বাঁচার করণীয়
জলবসন্ত একপ্রকার বায়ুবাহিত ও ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগ থেকে বাঁচতে আমাদের যেসব পদক্ষেপ নিতে হবে তা নিচে উল্লেখ করা হলো–
১) আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
২) আক্রান্ত ব্যক্তির খাওয়া-দাওয়ার জিনিসপত্র ব্যবহার না করা।
৩) আক্রান্ত ব্যক্তির বিছানা আলাদা রাখা।
৪) আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরত্ব বজায় রাখা ইত্যাদি।
জলবসন্ত রোগীর প্রতি করণীয়
যেহেতু জলবসন্ত বা চিকেন পক্স একটি অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে ও বায়ুবাহিত রোগ এবং এই রোগের চিকিৎসা রয়েছে। তাই আমাদের উচিত- এইসব রোগীদের প্রতি আমাদের কিছু পদক্ষেপ বা করণীয় আছে। যেগুলো আমাদের মানতে হবে এবং জলবসন্ত রোগের প্রতিরোধ করতে হবে। আমাদের যেসব করণীয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো–
১) এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখতে হবে বা ব্যবহৃত জিনিসপত্র কিনতে হবে এবং সেগুলো শুধুমাত্র সে ব্যবহার করবে।
২) তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র তার হাতের নাগালে রাখতে হবে।
৩) রোগীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কারণ এটি একটি কমন রোগ। যা আমাদের সকলের হয়ে থাকে। তাই রোগীকে আড় চোখে দেখা যাবে না।
৪) আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরত্ব বজায় রাখব কিন্তু তার মানে এ না যে তার সাথে আর মিশবই না।
৫) আক্রান্ত ব্যক্তির সেবা-যত্নের জন্য একজন ব্যক্তি থাকতে হবে। যাতে রোগীকে সাহায্য করতে পারে এবং রোগীর সেবাকারীকে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে যাতে তার শরীরে আবার এই রোগ না হয়।
উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে এবং রোগীর প্রতি সদয় হতে হবে।
জলবসন্ত রোগের করণীয়
জলবসন্ত রোগ প্রতিরোধ করতে কিছু করণীয় আছে। শুধুমাত্র ওষুধ কিংবা চিকিৎসকের উপরে নির্ভর না করেও এই সমস্ত করণীয়গুলোর মাধ্যমে জলবসন্ত রোগ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই এই রোগের প্রতিরোধের কিছু করণীয়গুলো নিচে উল্লেখ করা হয়েছে–
১) কখনো অতিরিক্ত ঠান্ডা পানিতে গোসল করা যাবে না। বরং হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ভালো হয়। সাথে নিমপাতা শিদ্ধ করে সেই পানিতে গোসল করতে পারেন। নিম পাতা জলবসন্ত রোগ নিরাময়ের বিশেষ ভূমিকা রাখে। আপনি চাইলে নিমপাতা ভাঁজি করে বা ভড়া তৈরি করে খেতে পারেন। এতে করে আপনার শরীরের রোগ-জীবাণু কমে যাবে।
২) গোসলের জন্য কুসুম গরম পানিতে এক কাপ পোর্ট মিল পাউডার ভিজিয়ে রেখে তা দিয়ে গোসল করলে চুলকানি অনেকটাই কমে যাবে।
৩) গোসলের পরে শরীল হালকা করে মুছতে হবে যাতে করে শরীরের ফোসকা গুলো গলে না যায়। গলে গেলে এতে করে ফোসকা গুলো ঘা এ পরিণত হতে পারে।
৪) ফোসকার চুলকানি কমাতে অলিভ অয়েল ব্লাক ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করতে পারেন।
৫) ভিটামিন সি যুক্ত খাবার শাকসবজি ফল খেলে উপকার পাওয়া যায়।
জলবসন্ত রোগের চিকিৎসা
জলবসন্ত থেকে স্পেসিস অ্যানেকেফালাইটিস নিউমোনিয়া ও অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এইসব জটিলতার চিকিৎসা সময়মতো নিতে হবে। সাধারণত শিশুদের জলবসন্ত রোগ হলে বিশেষ কোনো চিকিৎসা বা ঔষধ লাগে না। তবে সাধারণ উপসর্গের জন্য প্যারাসিটামল যথেষ্ট। তবে বিশেষ প্রয়োজনে আপনি এম আই ক্লোফির ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন। তবে প্রাপ্তবয়স্ক রোগী হলে কোন কমপ্লিকেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ডাক্তাররা এসআই ক্লোফির ভেলা সাইক্লোফির গ্রুপের এন্টিভাইরাল ওষুধ প্রেসক্রাইব করে থাকে। এই ওষুধগুলো রোগীকে পুরোপুরি সারাতে না পারলেও ফুসকার সংখ্যা কমতে সাহায্য করে ও ব্যথা কমাতে পারে। তাছাড়া ইনফেকটিভ পিরিয়ড কভারের মাধ্যমে ২১ দিন থেকে সাত দিন চলে আসতে পারে। তবে অবশ্যই যাই করুন না কেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে।
জলবসন্ত রোগের ঔষধ
সাধারণত শিশুদের জলবসন্তের প্রতিশোধক হিসেবে ভ্যাসকিন দেওয়া হয়। (এক বছরের উপরে যে সকল শিশু রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য। যদি রোগীর বয়স ১৩ হয় তবে তাকে দুইটি ইনজেকশন নিতে হবে। প্রথম ইনজেকশন নেওয়ার পরের দুই মাস বা ৬০ দিন পরে আরেকটি ইনজেকশন নিতে হবে। যদি রোগী বাচ্চা হয়ে থাকে তবে তার জ্বর আসলে জ্বরের ওষুধ চুলকানি হলে চুলকানির ওষুধ শুকনো ফুসকার ওপর কেলামিন লসুন লাগালে আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যাবে।
জলবসন্তের দাগ দূর করার উপায়
অনেকেই চিকেন পক্সের দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। চিকেন পক্সের দাগ সহজে কেন যেতে চায় না এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে। কেউ কেউ আবার বিভিন্ন ওয়েবসাইট এ সার্চ করেন কিভাবে এই দাগ দূর করা যায়।
জলবসন্ত এর দাগ ঔষধের মাধ্যমেও নিরাময় করা যায় আর এই জন্য আপনি চিকিৎসকের শরনার্থী হতে হবে। তবে বেশ ভালো হয় যদি আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে জলবসন্তের দাগ দূর করতে চান। যদি এই মাধ্যমে দাগ দূর হতে সময় লাগে তবে এই মাধ্যমে কোনো ঝুঁকি বা সাইট ইফেক্ট থাকে না। তাই আজকে আমরা আপনাদের সামনে কিছু টিপস তুলে ধরব। যে সব অনুসরণ করে আপনি চিকেন পক্স বা জলবসন্তের দাগ দূর করতে পারবেন। নিচে সেগুলো উল্লেখ করা হলো–
১) শরীলে রোদ লাগানো যাবে না। করণ সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি তর্কের ভীষণ ক্ষতি করে এই সময়ে। তাই অবশ্যই ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন।
২) স্কিনে প্রাকৃতিক মধু ব্যবহার করতে পারবেন। মধু তর্কের উজ্জ্বলতার সাথে সাথে দাগ দূর করতে সহায়তা করে।
৩) লেবুর রসে যেহেতু সাইট্রিক এসিড থাকে। তাই স্কিনে প্রতিদিন লেবুর রস লাগাতে পারেন। এতে করে তর্ক মলিন ও উজ্জ্বল এর পাশাপাশি দাগ দূরও করবে।
৪) অ্যালোভেরার ডাকযুক্ত রস ত্বর্ক এর জন্য বেশ উপযোগী।
৫) খাঁটি নারকেলের তেল ব্যবহারেও বক্সের দাগ দ্রুত ভালো হয়ে যায়। দিনে ৩-৪ বার নারিকেল তেল লাগাতে পারেন।
৬) মুখে বা শরীলে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। নিম পাতার অনেক গুন রয়েছে।
৭) ডাবের পানি ফ্রিজে রেখে বরফ করে দাগের মধ্যে ঘষে লাগান। এটি কিছুদিন একটানা করলে দাগ হালকা হয়ে যাবে।
৮) বাইরে গেলে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে যান।
জলবসন্তের সময় কি কি খাবার খাওয়া উচিত
জল বসন্ত বা চিকেন পক্সের রোগীদের যে সমস্ত খাবারগুলো খাওয়া উপকারী সেগুলো হলো-
১) যেকোনো চর্বিযুক্ত মাছ ব্যতীত অন্যান্য মাছের পাতলা ঝোল আর ভাত।
২) চিকেন পক্স চলাকালীন রোগী ডাল/আলু ভাজি খেলে কোন ক্ষতি হবে না।
৩) ফলের রস চিকেন পক্স বা জলবসন্তের রোগীর পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করবে। কিন্তু কোন ভাবেই লেবুর রস খাওয়ানো যাবে না।
জলবসন্ত হলে কি কি খাওয়া নিষেধ
জলবসন্তের সময় কিছু খাবার খাওয়া যাবে না আর নয় আপনার জলবসন্ত বাড়তে পারে এবং সাথে সাথে ঘা ও। তাই এই রোগ চলাকালীন যেসব খাবার খাওয়া যাবে না সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো–
১) চর্বি বা তেল যুক্ত মাংস, ফুল, ফ্যাট, দুধ এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে।
২) বাদাম, চকলেট, বীজ জাতীয় যেকোনো খাবার খাওয়া যাবে না।
৩) মাখন, তেল, বাদাম, পনির, নারিকেল অর্থাৎ ফ্যাট যুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না।
৪) অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার জলবসন্ত রোগে ক্ষতির কারণ।
৫) আখরোট, কিসমিসের মতো আরগিন ইন নামে একপ্রকার এমাইনি এসিড যুক্ত খাবার চিকেন পক্সের জীবাণুর বংশ বিস্তার করে তাই এগুলো থেকে বিরত থাকুন।
জলবসন্ত বা চিকেন পক্সের জটিলতা
জলবসন্তে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে শ্বাসনালী ও পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমনে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হয়। আবার অনেক সময় তো জীবনহানিরও ঘটে থাকে। এছাড়া জলবসন্তের কারণে তর্কে গর্ত হয়ে যায়। এছাড়াও নানা ধরনের জটিলতা যেমন ত্বকের সংক্রমণ স্কারলেট জর্নিওমোনিয়া হাড়ের সংক্রমণ মস্তিষ্ক ও কিডনির প্রদাহ পাতলা পায়খানা ইত্যাদি জটিলতা হতে পারে। অনেক গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে সন্তানের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে অথবা সন্তান বিকলঙ্গ হয়ে জন্ম নিতে পারে।
কিছু সম্পর্কিত প্রশ্নত্তরঃ
১) প্রশ্নঃ জলবসন্ত কি?
উত্তরঃ জলবসন্ত বা চিকেন পক্স একটি সংক্রামক রোগ।
২) প্রশ্নঃ জলবসন্ত কেন হয়?
উত্তরঃ ভ্যারিসেলা জুস্টার ভাইরাস (varicella zoster) নামক একপ্রকার ভাইরাস দ্বারা এই রোগ সংঘটিত এবং সংক্রামিত হয়ে থাকে।
৩) প্রশ্নঃ জলবসন্ত রোগের লক্ষণ?
উত্তরঃ জলবসন্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্ষুধা হ্রাস, ক্লান্তি, চুলকানি ফোস্কা ইত্যাদি।
৪) প্রশ্নঃ জলবসন্ত হলে করণীয়?
উত্তরঃ চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং কিছু স্টেপ মেন্টেইন করতে হবে।
৫) প্রশ্নঃ জলবসন্ত হলে গোসল করা যাবে কি?
উত্তরঃ হ্যাঁ! গোসল করা যাবে তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন শরীরের ফোস্কাগুলো যাতে গলে না যায়।
৬) প্রশ্নঃ জলবসন্ত English meaning?
উত্তরঃ জলবসন্ত English meaning হলো চিকেন পক্স (Chickenpox)
৭) প্রশ্নঃ জলবসন্ত রোগের ঔষধ?
উত্তরঃ ক্যালামাইন লোশন, প্যারাসিটামল (অ্যাসিটামিনোফেন), আসিক্লোভির।
৮) প্রশ্নঃ জলবসন্ত রোগের ভ্যাকসিন কি?
উত্তরঃ জলবসন্ত রোগের ভ্যাকসিন নাম হলো-ভ্যারিসেলা ভ্যাকসিন।
৯) প্রশ্নঃ জলবসন্ত রোগের সূত্রপাত কতদিন?
উত্তরঃ জলবসন্ত রোগের সূত্রপাত ঘটে ১০ থেকে ২১ দিন পর।
১০) প্রশ্নঃ জলবসন্ত রোগ কতদিন থাকে?
উত্তরঃ জলবসন্ত রোগ ৫-১০ দিন থাকে।
১১) প্রশ্নঃ জলবসন্ত হলে কি কি খাওয়া নিষেধ?
উত্তরঃ জলবসন্ত হলে চর্বিযুক্ত ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া নিষেধ। যেমনঃ নারকেল, মাখন, চকলেট, বাদাম ও পনির শরীরের প্রদাহ বাড়ায়। এসব খাবারে খুব বেশি পরিমাণে সম্পৃক্ত চর্বি থাকে এবং অতিরিক্ত ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার জলবসন্তের রোগীদের দেওয়া উচিত নয়।
আমাদের শেষ কথাঃ
আশা করি আপনি চিকেন পক্স বা জলবসন্ত রোগ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ বিস্তারিতভাবে বুঝাতে পারেছি। আপনি যদি কোথাও না বুঝে থাকেন বা আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন।
আমাদের ওয়েবসাইটে আরও বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল পেতে অবশ্যই নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আর অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন। আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
★বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উল্লেখিত সকল তথ্যগুলো সম্পূর্ণ ইন্টারনেট নির্ভর। কোথাও ভুল ত্রুটি থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
পোস্ট ট্যাগঃ
বসন্ত রোগের ঔষধের নাম,বসন্ত রোগ হলে কি করনীয়,বসন্ত রোগ হলে কি কি খাওয়া নিষেধ,গুটি বসন্ত রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার,বসন্ত রোগের কারণ,জলবসন্ত কতদিন থাকে,বসন্ত রোগের দোয়া।
আরও আপনার জন্য-

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন